গাজীপুরের টঙ্গীর মধুমিতা রোডের একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় ময়লার ডাম্পিং (বর্জ্য সংরক্ষণাগার) নির্মাণের উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। প্রস্তাবিত স্থানটি জনবসতিপূর্ণ হওয়ায় পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত স্থানের পাশেই একটি স্টেডিয়াম রয়েছে, যেখানে প্রতিদিন শিশু-কিশোর ও তরুণরা খেলাধুলা এবং শরীরচর্চা করে। এছাড়া মাছিমপুর, আরিচপুর, মধুমিতা, আনারকলি, টঙ্গী বাজার ও স্টেশন রোডসহ আশপাশের এলাকায় হাজারো মানুষের বসবাস।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, আবাসিক এলাকার মধ্যে ময়লার ডাম্পিং নির্মাণ করা হলে দুর্গন্ধ, বায়ুদূষণ, মশা-মাছির উপদ্রব এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। এতে শিশু, বয়স্ক এবং সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি এলাকার পরিবেশ ও জীবনযাত্রার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে তাঁদের আশঙ্কা।
বাসিন্দারা আরও বলেন, ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় এ ধরনের স্থাপনা নির্মাণ হলে আশপাশের পরিবেশের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জনবহুল আবাসিক এলাকায় ডাম্পিং নির্মাণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, আধুনিক ও পরিবেশসম্মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে জনবসতি থেকে নিরাপদ দূরত্বে উপযুক্ত স্থানে ডাম্পিংয়ের ব্যবস্থা করা হোক, যাতে একদিকে কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হয়, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশও সুরক্ষিত থাকে।

