তবুও পরিবেশ এবং মানুষ ভালো থাক, চিরদিনই পানির গতি নিচের দিকেই উর্ধ্বে নয়, এটাই স্বাভাবিক
— সৈয়দা রাশিদা বারী
স্বাভাবিকটাই মেনে নেওয়া বাঞ্ছনীয়। প্রত্যেকেই জানেন দুর্বল বলতেই অন্যায় বৈষম্য। যুগে যুগে যা হয়ে এসেছে, সেটাই নিয়ম সেটাই রীতি নীতি এবং আদর্শ। তাই সমাজের সংখ্যালঘু এবং দুর্বলদের অন্যায় করা লাগবে না। তারা এমনিই দোষী। তারা এমনিই নীতি আদর্শের দিক থেকে বঞ্চিত লাঞ্ছিত গঞ্জিত নির্যাতিত নির্বাসিত শোষিত হবেই! পানির অপর নাম জীবন সেই পানির গতি তো ঊর্ধ্বে নয়, নিম্নের দিকেই ধাবিত যেহেতু! দেশ রাষ্ট্রে সমাজে আরো বহু কিছু হয় হবে। আর সমাজের যে কোন বিষয়ই সরকারের ঘাড়ে পড়ে, সরকারের দায় হয়, যদিও সরকারের দোষ থাকে না। মানুষ ঘটনা ঘটায় দোষ হয় সরকারের। এটাও রীতি এবং নিয়ম। সমাজ সংসারে নারীর দোষ পায়ে পায়ে। রাষ্ট্রেও রাষ্ট্র নায়কের কিংবা রাষ্ট্র পরিচালকদের অন্যের করা অনাকারবারির দায় পড়ে। সরকারের করতে হয় না। অকারনেই তারা দুর্নীতিবাজদের পলিটিক্স এর শিকার হয় হবে হচ্ছে পূর্ব থেকেই যেটা লক্ষণীয়। সংসারে যেমন নারীর দোষ হয় তেমন সরকারের বেলায়ও একদম নারীর মতন বিনা দোষে দোষী হতে হয়। যে কোন ব্যক্তির ঘটানো অনাচারে সরকারেরই দোষ হয় পায়ে পায়ে। তাই যেকোনো লম্পট দ্বারা যা কিছুই ঘটক, হিন্দু বাড়ি অত্যাচার ভাঙচুর করুক আর মাজার ভাঙুক ইত্যাদি যেকোনো দোষ হয় এবং হবে সরকারের। এইভাবে সরকারের দোষী করার জন্য, সমাজে ওৎ পাতা অনেক মানুষ আছে। যাদের কর্তৃক অশান্তি সৃষ্টি করা হয়। জনগণের কষ্ট দেওয়ার জন্য জনগণের মধ্যের, এক শ্রেণীর কেউ কেউ এই ধরনের বিশৃঙ্খলা ঘটানো হয় উশৃংখলার প্রমাণ করে। সমাজে অনেক ধরনের পুরুষ মানুষ আছে। অবশ্যই সৃজনশীল সম্মানিত পুরুষদের বলছি না। তবুও পুরুষ বলেই বলতে হবে কারণ অমার্জিত বিশৃঙ্খলা উশৃঙ্খলা প্রভৃতি ইত্যাদি এই সমস্ত কাজ নারী করে না। ধর্ষণ বলাৎকার অলি আউলিয়ার মাজার শরীফ ভাঙ্গা, ছিনতাই লুটতরাজ করা, বা অন্যান্য যা কিছু উত্তপ্ত করা, ভাঙ্গা ভাঙ্গি যতরকম জবরদস্তি, নদী ভাঙ্গন নদী চর এলাকা, মাজারের জায়গা দখলদারি করা উশৃংখল অন্যায়ী চাঁদাবাজি ধাপ্পাবাজি কর্মকান্ড অপকর্ম নারীরা কখনোই করেনা। তৃণমূল পর্যায় থেকে ঊর্ধ্বতন সচেতন প্রাণ ব্যক্তিবর্গর কথা একশ্রেণীর পুরুষ মানুষ আছে, অনেক বয়স্ক তবুও চরিত্রহীন! তবুও দুর্দান্ত। নিষ্পাপ নারী শিশুর ধর্ষক! পুরুষ শিশুর বলাদকারী! আবার কিছু নয় বহুৎ আছে বিয়ে করে নাই, মস্তান টাইপের শক্তিশালী শক্তিধর। বাবা মায়ের ঘাড়ে চড়ে বসে খাচ্ছে। ছাত্র অথবা ছাত্র নয়, ছাত্র সেজে থেকে। আল্লাহর নবীর প্রেমে, ইসলাম প্রেমে ইসলামিক নয়, ইসলাম ভাঙানো বেশধারী। দেশপ্রেমিক, দেশের প্রতি কোন টান আকর্ষণ ভালোবাসার সম্পর্ক নাই! দেশের দুর্দিনের ইতিহাসের কিছুই জানেনা! বকলম কিন্তু দেশ ভাঙিয়েই যা কিছু করে! দেশ ভাঙানোই তার কাম! দেশ ভঙ্গিয়েই বেড়ায় খাই। মানুষ কিন্ত ৪০/ ৪৫ বছর পর্যন্ত বয়স লুকিয়ে ছাত্র সেজে থাকা যায়! তেমনি আছে। এই যে রূপ বদল ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া রূপ ধারণকারী, ছাত্র অবস্থার মত, ব্যক্তি দারায় এসব কুকর্ম অপকর্ম বেশি ঘটে। একটা সময় নির্ভেজাল নিঃস্বার্থ ছাত্ররা এই দেশ বাঁচিয়েছিল। ঠিক অপজিট সেটা ভাঙিয়ে খেতে ভুয়া ছাত্ররাই আবার ভুয়া দেশপ্রেমিক সেজে দেশের ক্ষতি হবে এমন কিছু করছে! হিন্দুদের বাড়ি আক্রমণ মাজার মন্দির আক্রমণ এগুলো কি দেশের ক্ষতি নয়! দেশের এবং দেশের সঙ্গে শত্রুতা করা নয়! এই দুর্নীতিমূলক কাজগুলো সাধারণত অল্প বয়স অল্প বুদ্ধি থাকা ইয়াং জেনারেশন প্রজন্ম দাঁড়াই সাধারণত হয়! আর দুই চার জন চুল দাড়ি পাকা বৃদ্ধ দারা হয়্ । বেশি হয় ইসলামিক বেশধারী ইয়ং দারা। কাজ নাই কাম নাই সংসার নাই, এমনকি দেখা যাচ্ছে তাদের জুলুম অত্যাচারে তাদের মমতাময়ী মাও অকাল প্রয়াণ হয়েছেন ! যতই ফেসবুক ইলেকট্রিক ইন্টারনেটের যুগ হোক সমাজের সব কিছুই কিন্তু মানুষের আওতাধীন হয়না। প্রকাশ হয় না। সিস্টেমের মধ্যে থাকে না! সিস্টেমের বাইরেও অসিসটেম ভিত্তিক সমাজ আছে। পুরুষ শাসিত সমাজের এটাই নীতি! কেউ এটাকে অপকর্ম অপকৌশল বলে না যদিও এটা অপকর্ম অপকৌশল। পবিত্র ধর্মর কথা আমি কিছু বলতে চাই না। ধর্মটা তো বিশ্বাসের বিষয় এবং এটা যার যার মতন তার নিজস্ব বিশ্বাসের জায়গা থেকে পালন করে। আমি মানব সম্প্রদায়ের দৈনন্দিন জীবনের অথবা যাপিত জীবনের কথার থেকে বলছি। সমাজের ভিতরেও কিন্তু নারী বিষয়ক এক একটা পশু পুরুষ কর্তৃক পরিচালিত লালিত পালিত গোপনীয় সমাজ লোকচক্ষের আড়ালে থাকে। যেটা, কারো দৃষ্টিগোচর হয় না, সেটাকে বলছি। নারীর প্রয়াণ বহু আকৃতির পূর্বে তো ছিল বটেই এখনো আছে! সমাজে প্রতিপালিত হওয়ার বাইরেও নারীর জীবন নাস অবসান প্রয়াণ ঘটাবার ব্যবস্থার কথা হর হামেশাই অপ্রকাশিত থাকে অধিকাংশ। সদর বদর কথাটা শুধু মাত্র একটা ইসলামিক যুদ্ধ ময়দানের নয়। নারী বিষয়ক জীবন এখানেও প্রযোজ্য। অনেক কিছুই আছে গবেষণার ভিতরেই নিহিত থাকে। ফুল কিছু কিছু না ফুটতেই ঝরে যায় সেরকম। গবেষক নিজেই পুরুষের লুকোনো জিনিস লুকিয়ে দেয়। জাস্ট তারও আত্মরক্ষার জন্য। কারণ এখানে পুরুষ কর্তৃক জিম্মি আছে বিশাল ধরনের ব্ল্যাকমেল এবং নারীকে বাধ্য রাখার বিশাল অপকৌশল! যেহেতু সব অপকৌশল প্রকাশ করার নয়! ভয়ংকর পুরুষ মর্মভেদী এই ফ্যাকড়া। সামাজিক অনুষ্ঠান গুলোই সামাজিক প্রথা যেটা সবার চোখে পড়ে। আনন্দে এবং সৃজনশীল ভাবে দৃষ্টিগোচর হয়। অসামাজিক পদ্ধতি গুলোর সামাজিক অনুষ্ঠান নেই অর্থাৎ হয় না বটে। তো অনুষ্ঠান হয় না এমন অসামাজিক কাজের পরিধিই সমাজে বেশি এটা ১০০ ভাগ সত্যি এবং বড় আকারে মহামারির মতো লালিত পালিত হয় বা জিম্মি থাকে। বেশি প্রসারিত কিন্তু সেটার উল্লেখ করার ভাষাও নাই। যেখানে শব্দ নাই ভাষা নাই সেখানে প্রকাশ বা প্রচার থাকবে কিভাবে? অথচ আবার প্রতি পদে আছে! শব্দ চয়নে সবকিছুর তো নামও নাই যেমন। তেমন প্রসার থাকলেও প্রকাশ নাই! আল্লাহকে না মানলে সে নাস্তিক, ভাষাটা বেশ জোরালো সুন্দর এবং ব্যাপক চালু আলোকিত আলোরিত। আস্তিক বিপরীত ভাষা বিপরীত শব্দ হলেও ব্যবহার খুব একটা হয় না। আল্লাহকে মেনেও ধর্ষক বলাৎকারি জুলুমবাজি অত্যাচারী পর নারী ভুকি কুপথগামী, এই পুরুষদের নাম কি? আমি কিন্তু প্রথমেই বলেছি সব পুরুষ কে বলছি না। নিশ্চয়ই ভালো পুরুষ আছেন। কিন্তু খারাপ পুরুষই তো বেশি! নামাজ পড়ে কপাল কালো করে! টাখনু বের করা হাঁটু সমান পায়জামা পরে। লম্বা জুব্বা ইসলামের প্রথম সারির শর্ত দাড়ি-টুপি সব আছে কিন্তু চরিত্রহীন! অমানুষ পশুর জানোয়ার। এদের চিহ্নিত করার সামাজিক ভাষা শব্দ কই? এই শব্দটা কোথায় ? আবিষ্কার হয়নি কেন? আবার নারীদের গালি দেওয়া বেশ্যা কথাটা সব ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। অতিমাত্রায় চালু আছে। ঘরে বাইরে রাস্তাঘাটে একদম অকারনেও ব্যবহার হয়। এর বিপরীত শব্দ লুচ্চা। কিন্তু এটার ব্যবহার নাই কেন? পুরুষরা যেহেতু একটু থেকে একটু হলেও বেশ্যার পোলা বলে গালি দেয় একজন পুরুষ আরেকজন পুরুষের! চুতমারানি মাগির পোলা বলে গালি দেয়! এক পুরুষ আরেক পুরুষকে বেশ্যার পোলা বা পুত বলে! আরো ইত্যাদি বকা কথা বলে! কিন্তু দেখা যাচ্ছে ওর মা বেঁচে নাই! মারা গেছেন! মৃত ব্যক্তি তাকে জানোয়ার পুরুষ বিনা কারণে বকতেছে। বিনা দোষে ভাষা দিয়ে মারতেছে। নিরপরাধী পরকাল অধিবাসী নারী, এমন একজন ভালো নারীকে, অন্যায়কারী পুরুষ এইভাবে বকে কেন? এর বিপরীত বকা গালী মন্দ করা, তাহলে কি এক নারী আরেক নারীকে পুরুষের মতই অভদ্র ভাষায় বকতে হবে পুরুষকে? জাস্ট পুরুষের বকার প্রতিকার আনতে এবং জবাব দিতে, নির্দেশ সেটাই দিতে বলা দরকার। লুচ্চার মাইয়া বা মিনসার ঢ়পুঁতি! এমনই অসংখ্য খারাপ ভাষায় একজন নারী আরেকজন নারীকে পুরুষের বকার মত বকা দরকার কি। যেমনটা পুরুষ নারীকে বকে। অথচ নারীরা তা ব্যবহার করে না। মূর্খ ইবলিশ শয়তান চরিত্রহীন লম্পট জানোয়ার ধাপ্পাবাজি পুরুষরা যা করে! পুরুষদের মানে ওদের মুখোবেলা দিতে, পাল্টা অমানুষ হয়ে, নারীদেরও ওই শব্দ হেসে খেলে আনন্দ উল্লাসে অথবা গালমন্দ দিতে রাগান্বিত অবস্থায় একদম পুরুষদেরই মত ব্যবহার করা নারীদেরও প্রয়োজন। জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজন। কানে পানি গেলে বিপরীত পানি বের করতে পুনরায় পানি দিয়েই পানি বের করতে হয়। নিষ্পাপ শিশু নারীকে, লম্পট পুরুষ কর্তৃক নির্মমভাবে ধর্ষণের শিকার হচ্ছে এবং করে! এর বিপরীত জবাব দিতে, প্রতিবাদ করতে এবং প্রতিকার আনতে, নিষ্পাপ প্নিরপরাধী পুরুষ শিশুর, দুর্ধ্বস্ত লম্পট নারী দ্বারা নির্মম অত্যাচার ধর্ষণ করে মেরে ফেলানো দরকার! নারীরা তো সবাই বিবেকবান, পুরুষের মতন অবিবেচক লম্পট জানোয়ার চরিত্রহীন নারী, সমাজে একটাও নাই। যে কারণে এটা নারী কর্তৃক করা হচ্ছে না। সিওর নিশ্চিত বিবেকহীন এর মতন নারী দ্বারা এটা হচ্ছে না বলেই, প্রতিকার নেই পুরুষ কর্তৃক ঘটানো ওই নির্মম পাষণ্ড শয়তানি কাজের! আল্লাহর না মানলে সে নাস্তিক হয়। আল্লাহর মেনেও বেয়াদব এবং শয়তান, বলাৎকার ধর্ষক, ধর্ষণ সানন্দে করে বেড়াই! স্ত্রীকে ঘরে রেখেও পর নারী ভোগ করে বেড়াই, নানান ধরনের জুলুম অত্যাচার করে। এদের নামটা কি হবে? সেই শব্দ নাই কেন? আস্তিক যদি হবে তাহলে এই শব্দ ব্যবহার হয় না কেন? বলতে পারে আস্তিকরা এটা ঘটাইছে, সেটা বলে না কেন? আর এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়াও দরকার। আলোচকরা অবশ্যই নাস্তিক না আস্তিকই। কারণ আলোচকরা তো আল্লাহকে মানেন। আল্লাহকে মানেন না নাস্তিকরা। তাহলে মানুষের ভেদ নির্ণয় কিন্তু ৪টা হচ্ছে! ১.নাস্তিক আল্লাহকে মানে না। ২. আস্তিক আল্লাহকে মানে। ৩.আল্লাহকে মেনেও যারা ধর্ষক লুচ্চা বলাৎকারি জুলুমবাজি অত্যাচারী ছিনতাইকারি মাজার ভাঙারা এবং জমিদশ্য ভূমিদস্যু এদের নাম কি হবে? এই সহজে সেই সুন্দর শব্দটি কই? আস্তিক যদি না হবে তাহলে কি তারা? ৪. আর দোষ গুন ধরা আলোচক সমালোচক তারা নাস্তিক আস্তিক কোনটাই নয়। এদের চিহ্নিত করা শব্দটা কই?? এরা তো আল্লাহকে যখন মানে তবে আলোচনা করে। দোষ গুণ বিচার করে, এদের শব্দটা আলাদা হওয়া দরকার। আল্লাহকে মেনেও অন্যায়কারী এদের নামও আলাদা হওয়া দরকার। সেই শব্দ গুলো কই? ব*** এবং নাস্তিক এই দুইটা শব্দের চর্চার মতো ওই শব্দ দুইটার চর্চা হচ্ছে না কেন? শব্দ যাজকরা তাহলে এখন আবার শব্দ বানাক। যেহেতু এখন সময়ের আবর্তে সময় এসেছে নতুন। তাহলে নতুন ভাষা জ্ঞান নতুন শব্দ চয়ন নতুন অর্জন আহরণ প্রিয়জন বিসর্জন চর্চার প্রয়োজন।
সময়ের রদ বদলের ভিড়ে সময় এসেছে বহু কিছুর চেঞ্জিং ঘটাবার ব্যবস্থাপনায়। যাতায়াত ব্যবস্থা, দূরবীন যন্ত্র, ইথারেরা আকর্ষণ, বিকর্ষণ ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট সবকিছু পাল্টানোর ব্যবস্থাপনার মত হিড়িক পড়েছে, তেমন শব্দ চয়ন ভাষাগত আহরণ, আহরণের আহ্বান এটাও মানব সম্প্রদায়ের উন্নয়ন উন্নতির বিষয়। যা বাস্তবায়ন করা ভালো। মানুষের ভালো থাকার বন্দোবস্তের জন্য বাঞ্ছনীয়। যেহেতু প্রয়োজনেই সবকিছুর আবির্ভাব। সেটাই স্বাভাবিক, স্বাভাবিকটাও মেনে নেওয়া বাঞ্ছনীয়। সমাজের প্রয়োজনেই সমাজ চলে চলবে চলুক। তবুও শব্দগুলো নির্বাচিত হয়ে পরিবেশ এবং মানুষ ভালো থাক। অন্ধকার কেটে যাক এবং ভালো থাক প্রতিটা মানুষের চারিপাশ।
২০.৯.২০২৬ ইং, সকাল ৯টা, রবিবার।

