বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় বকশীগঞ্জ থানা থেকে বকশীগঞ্জ থানার পুলিশ ও জামালপুর-৩৫ বিজিবি সদস্যরা ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে তার ভাই ভবানী বর্মনের কাছে হস্তান্তর করে। ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন রাজশাহীর জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার চান্দলাই এলাকার বাবু চন্দ্র বর্মনের ছেলে।
জানা গেছে, ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন গত দুই মাস ধরে নিখোঁজ ছিলেন। বুধবার সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ পিলারের কাছে তাকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। এ সময় বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধার মুখে ব্যর্থ হয়ে তাকে শূন্য রেখায় ফেলে রেখে যায় বিএসএফ। সেখান থেকে তিনি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয় বাসিন্দারা বাধা দেন। পরে আবার শূন্য রেখায় চলে যান তিনি।
এ নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে নিতে রাজী হয়নি। এক পর্যায়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিকেল ৫টার দিকে কাঁটাতারের বেড়া ভেদ করে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয় দুই দেশের জনগণের মধ্যে। এ সময় বাংলাদেশি নাগরিকদের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যান ভারতীয়রা। আর ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন কোনো দেশে ঠায় না পেয়ে সারারাত শুন্য রেখায় অবস্থান করেন। পরে মিডিয়ার মাধ্যমে ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মনকে পুশইনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিও তার পরিবারের লোকজন দেখে জানতে পারেন ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মন জামালপুরের বকশীগঞ্জ সীমান্তে রয়েছেন।

