গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না। তবে আগামী চার দিন সরবরাহ কমে যাওয়ায় দেশের কিছু এলাকায় স্বল্পচাপ বিরাজ করতে পারে। এ নিয়ে ছড়ানো গুজবে কান না দিতে গ্রাহকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে পেট্রোবাংলা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
পেট্রোবাংলার একজন পদস্থ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বার্তা২৪.কমকে জানান, সামিট গ্রুপের মালিকানাধীন ওই এফএসআরইউটি আগামী ৩ নভেম্বর থেকে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রাখার কথা ছিল। তবে তা পিছিয়ে ৪ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
একসময় দেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে দৈনিক প্রায় ২ হাজার ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হলেও বর্তমানে তা কমে ১ হাজার ৫৭৬ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। গত ৩০ অক্টোবর আমদানি করা এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ৯৮২ মিলিয়ন ঘনফুট। একটি এফএসআরইউ বন্ধ থাকলে অপরটি থেকে সর্বোচ্চ ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হবে। ফলে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি মিলিয়ে মোট সরবরাহ ২ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুটের নিচে নেমে আসতে পারে।
দুটি এফএসআরইউ সচল থাকলেও গ্যাস সংকটে নাকাল গ্রাহকরা। অনেক এলাকায় দিনের বেলাতেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এ অবস্থায় একটি টার্মিনাল বন্ধ থাকলে সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত গ্রাহকদের দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৫ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে প্রকৃত চাহিদা ৪ হাজার মিলিয়ন ঘনফুটের বিপরীতে সরবরাহ দেওয়া হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আমদানি করে সরবরাহ করা হচ্ছে।


