১২
দিলদার মার্কেট এর প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম দিলদার সাহেবের মৃত্যুতে একটি বিশেষ শোকবার্তা –
নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলায় অবস্থিত বিখ্যাত দিলদার মার্কেট এর প্রতিষ্ঠাতা জনাব আবুল কালাম দিলদার মৃত্যুবরণ করেছেন – ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন।
তিনি মইজদি পুর এলাকায় অবস্থিত বর্তমান দিলদার মার্কেট এলাকায় প্রথমে একটি দোকানঘর তুলেছেন। লোকজন বলাবলি করতে লাগলো দিলদারের দোকান। তারপর আরও কিছু দোকানঘর হলো কিন্তু দিলদার এর নামই বেশি প্রচার ও প্রসার হতে লাগলো। ধীরে ধীরে এলাকার বাইরে সেনবাগ, কাজিরহাট এলাকার ও আশেপাশে প্রকাশ হলো” দিলদার মার্কেট ” ।
এখন তো দিলদার মার্কেট নামেই সুপরিচিত পুরো নোয়াখালীতে।
আমি যখন ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী -২, সেনবাগ ও সোনাইমুড়ি আংশিক আসনে জাতীয় সংসদ সদস্য (এম পি) পদে প্রার্থী ছিলাম তখন আমার নির্বাচনী প্রচার, মিছিল মিটিংয়ে আলোচনা সভা ও জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে তাঁরই নামের দিলদার মার্কেটে। তিনি ও আমার সভা সমাবেশে আমাকে দেখতে এসেছেন, দোয়া করেছেন এবং আমাকে আপ্যায়ন আতিথেয়তা করেছেন। এমপি পদে প্রার্থী হওয়ায় আমার এমন সাহসের জন্য অনেক প্রশংসা ও আশংকার কথা বলছেন।
উল্লেখযোগ্য হলো – ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী -২, সেনবাগ ও সোনাইমুড়ী আংশিক আসনে আমরা চারজন এমপি প্রার্থী ছিলাম – বিএনপি থেকে জনাব জয়নুল আবদিন ফারুক – ধানের শীষ মার্কা, আওয়ামী লীগ থেকে ডক্টর জামাল উদ্দিন আহমেদ – নৌকা মার্কা, জাসদ রব থেকে মাস্টার নূরুল ইসলাম – তারা মার্কা, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি থেকে মোহাম্মদ মমিন উল্যাহ ( প্রফেসর মমিন ) – কাঁঠাল মার্কা নিয়ে নির্বাচন করেছেন। সেই সময়ে বিজয়ী হয়ে বিরোধী দলীয় চীফ হয়েছেন মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব জয়নুল আবদিন ফারুক ভাই।
মরহুম আবুল কালাম দিলদার সাহেব তাঁর আন্তরিকতা, আতিথেয়তা ও নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তাঁর স্মৃতি ও কর্মের সফলতা আমাকে মুগ্ধ করেছে।
মরহুম আবুল কালাম দিলদার সাহেব কে একজন ধার্মিক ও ভালো মানুষ হিসেবে চিনি এবং জানি।
মহান আল্লাহ তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌসের বাসিন্দা করুন, আমিন।
শোকবার্তায় ও দোয়া কামনায় –
মোহাম্মদ মমিন উল্যাহ ( প্রফেসর মমিন )
সহকারী অধ্যাপক
সুলতান মাহমুদ ডিগ্রি কলেজ
বিজবাগ, সেনবাগ, নোয়াখালী।

