সেনবাগ উপজেলা ফতেহপুর ইসলামিয়া মাদ্রাসার মুহ্তামিম হাফেজ মো. বেলাল হোসেন ফতেহপুরী নোয়াখালী চৌমুহনীতে সিএনজিতে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর মেয়েসহ ইন্তেকাল করেছেন, পরিবারের আরো দুই সদস্য আহত। ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাহী রাজিওন।
হুযুরের সাথে এক সাথে চলার কত কত স্মৃতি আজ মনে পড়ছে। আজ উনার মৃত্যুর সংবাদ এভাবে লিখতে হবে কখনো ভাবিনি। সুযোগ খুজছিলাম ফোন করে একটু সময়ের জন্য স্বাক্ষাৎ করে আড্ডায় মিলিত হবো বিধির নিয়মে জীবিত স্বাক্ষাৎ সম্ভব হয়নি হয়ত জানাজার স্বাক্ষাৎই লিখা ছিল।
বেলাল ভাই ছিলেন কওমি ঘরনার আলেম হয়েও মুক্তমনা স্মাট মৃদুভাষায় কথা বলা বিনয়ী মানুষ। বহু হাফেজের ওস্তাদ,বহু এতিমের অভিভাবক। সভ্যতা ও জ্ঞান অন্বেষণেছিলেন বিরামহীন। আর নিজের হাতে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাকে পরিপাটি রাখার চেষ্টা করতেন সব সময়।মাদ্রাসায় এতিম শিশুদের কোরান তেলাওয়াতের ধ্বনি যে কাউকে বিমোহিত করত। জানিনা তার শুন্যস্থান আল্লাহ কাকে দিয়ে পুরন করে।
সমাজ সংসকারেও তার নজর এড়ায়নি। তিনি নোয়াখালী তে যৌতুক বিরোধী আন্দোলন জোরদার করেছেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি যৌতুক বিরোধী আন্দোলন বাংলাদেশের সেক্রেটারী ছিলেন। তাহার মধ্যে দেশ প্রেমেরও ঘাটতি ছিল না।এজন্য উজ্জীবিত বাংলাদেশ নামক অরাজনৈতিক সংগঠনের হয়ে সামাজিক কর্মকান্ড চালিয়েছেন। সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সাথে মিশে তিনি মাদ্রাসাকে এক অনন্য মাত্রায় নিয়ে এসেছেন। মাদ্রাসার প্রয়োজনী এতিমখানা বাংলা বডি চালু রাখার জন্য দানের জন্য তিনি সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়া কাতার সৌদি আরব প্রভৃতি দেশ ঘুরে ঘুরে মানুষের কাছ থেকে মাদ্রাসার জন্য সাহায্য নিয়ে এসেছেন।
হে আরশের মালিক, হুযুরের ভালো কাজ গুলোর উচিলায় হুযুরকে শহীদের মর্যাদায় বেহেস্তের উচু মাকাম দান করো প্রভু।

