মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ের সামনে ছোট ছোট জটলা। কারও কারও কণ্ঠে স্লোগান। তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির নতুন অ্যাডহক কমিটিকে শুভেচ্ছা জানাতে এসেছেন তাঁরা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে তামিম এসেছেন বহুবার। তবে আজকের আসাটা ছিল আলাদা।
কালো ব্লেজার পরে গাড়ি থেকে নামার পরমুহূর্তেই তামিমকে ঘিরে ধরে অসংখ্য ক্যামেরা। এ দৃশ্যটাও তাঁর জন্য নতুন নয়। তবে তামিমের জন্য নতুন—বোর্ড কার্যালয়ে গিয়ে তিনি যে চেয়ারটাতে বসলেন সেটি। এবার যে তিনি বিসিবিতে এসেছেন সভাপতি হয়ে!
অথচ আজ দুপুরেও এমন দৃশ্য কারও কারও জন্য ছিল ভাবনার বাইরে। আমিনুলের নেতৃত্বে বিসিবির কমিটি ভেঙে যেতে পারে, এমন গুঞ্জন কয়েক দিন ধরেই ছিল। তবে তা যে আজই হবে, সেটি সম্ভবত ভাবতে পারেননি আমিনুলের বোর্ডের পরিচালকেরা।
দুপুরে পূর্বাচল স্টেডিয়াম পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন সদ্য সাবেক সভাপতি আমিনুল, তাঁর কথায় ছিল মাঠ নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক যখন বিসিবি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দেন, তার ঘণ্টাখানেক আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন সহসভাপতি ফারুক আহমেদও। তাঁদের যে বিদায় নিতে হচ্ছে, সেই আঁচ পাওয়া যায়নি তাঁর কথাতেও।
এনএসসিতে সংবাদ সম্মেলন চলার সময়েও আমিনুল, নাজমূল আবেদীন ও খালেদ মাসুদ ছিলেন মিরপুরের বিসিবি ভবনে। ওই ঘোষণা শেষ হতেই একে একে বিসিবি ছাড়তে শুরু করেন তাঁরা। গণমাধ্যমকর্মীদের আগ্রহ থাকলেও তখন অবশ্য মুখ ভার করে বিসিবি ছাড়া পরিচালকদের কেউই আর কোনো কথা বলেননি।
এর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যই বিসিবি কার্যালয়ে আসেন তামিম। তখনো সেখানে শত শত মানুষের ভিড়। ভিড় পেরিয়ে বিসিবি কার্যালয়ে গিয়ে তামিম বসেন সভাপতির চেয়ারে। কিছুক্ষণের জন্য গিয়েছিলেন জাতীয় দল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের রুমেও।

