চলচ্চিত্রের অনেক প্রযোজক টাকা ইনকাম করে সটকে পড়েছে, কিন্তু আরমান স্যুটিং স্পট করেছে
এক নজরে আরমান # ১৯৭৬ সালে লম্বা চুল ওয়ালা আরমান গুলিস্তান ফুটপাতে ব্যাবসা করতেন – ভাগ্যক্রমে দেখা হয় ” জ্যাম্বস ফাইটিং গ্রুপ ” এর অন্যতম সদস্য টাকলা নুর ইসলাম এর সঙ্গে আরমানের।
সেই নুর ইসলামই পরিচয় করিয়ে দেন # তৎকালীন সময়ের নাম্বার ওয়ান ফাইট ডিরেক্টর – ভিলেন জসিম এর সঙ্গে,গুলিস্তান সিনেমা হলের সঙ্গেই জসিমের অফিসে।
ব্যাস চলচ্চিত্রের পথ যাত্রা শুরু হয় আরমানের # নতুন ছেলে তাই ফাইট ডিরেক্টর জসিম তাকে কখনও বল্লম ধরে দেয়, কখনও বাঁশ ধরে দেয়, কখনও হাতে তলোয়ার নিয়ে দৌড়াতে বলেন।
তার কিছু দিন পর আরমান বুঝতে পারেন # তাকে স্ট্যান্টম্যান এর কাজ শিখতে হবে – তাহলে নায়ক নায়িকার ডামি শট দিতে পারবো – তাতে টাকাও বেশি পরিচিতও হতে পারবো। তাপর থেকেই সে স্ট্যান্টম্যান এর কাজ শুরু করেন এবং জসিম সহ অন্যান্য ফাইট ডিরেক্টরদের কাজ করা শুরু করেন।
আসতে আসতে তার কাজের প্রকাশ হতে থাকে # এক সময় সে ফাইট ডিরেক্টর হওয়ার অফার পান – তখন তার দুই ওস্তাদ জসিম এবং মুসলিম তাদের অনুমতি নিয়ে নিজেই ফাইট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ শুরু করে দেন।
নিজে ফাইট ডিরেক্টর হওয়ার পরেও # আরমান তার দুই ওস্তাদের স্ট্যান্টম্যান এর কাজ করতে থাকেন – তারপর তিনি প্রযোজক হিসেবে ” শান্ত কেন মাস্তান ” ছবিটি করেন, আর পরিচালক ছিলেন মনতাজুর রহমান আকবর।
সেই ছবিটি এতো সুপারহিট হয়েছিলো যে ১৯৯৭ সালের সর্বোচ্চ ব্যবসা সফল হয় – আর সেই ছবির টাকা দিয়ে তিনি তার গ্রামের বাড়ী মুন্সিগঞ্জ জেলায় প্রায় ৩০০ বিঘা জমি কিনেন, এবং সেই জায়গাতেই তিনি স্যুটিং স্পট তৈরী করেন; তাই তো বলি কতো নায়ক নায়িকা প্রযোজক চলচ্চিত্রে টাকা ইনকাম করে বাড়ী গাড়ী করেছেন। তেমন কোন স্মৃতি চিহ্ন রেখে যেতে পারেন নাই।
সেই আরমান চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আগামী নির্বাচনে # সভাপতি পদপ্রার্থী হয়েছেন – এবং তার প্যানেলের সাধারন সম্পাদক পদপ্রার্থী হয়েছেন নায়িকা মুক্তি।
এখন শিল্পী সমিতির সদস্যরা বলেন : আরমানকে ভোট দেওয়া যাবে কি না – প্রশ্ন রেখে গেলাম?
কেন সন্ত্রাসী ” ছবিতে ফাইট ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন আরমান।
চলচ্চিত্রের অনেক প্রযোজক টাকা ইনকাম করে সটকে পড়েছে, কিন্তু আরমান স্যুটিং স্পট করেছে…
১১

