নোয়াখালী প্রগতি লেখক সংঘের আয়োজনে ২৯ নভেম্বর শনিবার মাস্টারপাড়া এন.আর.ডি.এস সেন্টারের হল রুমে আঞ্চলিক সাহিত্য কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউছুফ মিঞা, বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. তপন বাগচী, প্রগতি লেখক সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সভাপতি জাকির হোসেন, সহ-সভাপতি প্রফেসর মাইন উদ্দিন পাঠান ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) এর নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি ডা. সাদিয়া শামরিন হৃদি।
প্রগতি লেখক সংঘ নোয়াখালী জেলার সভাপতি কবি আকতার জাহান শেলীর উদ্বোধনী বক্তব্যের মাধ্যমে সকাল সাড়ে দশটায় কর্মশালা অনুষ্ঠান শুরু হয়। সাধারণ সম্পাদক এড. গোলাম আকবর সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন অধিবেশনে ভাগ হয়ে সারাদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, কুমিল্লা, চট্টগ্রামের বিভিন্ন কবি, সাহিত্যিক ও সাহিত্যপ্রেমীগণ এবং নোবিপ্রবিসহ বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করে।
প্রথম অধিবেশনে পরিচয় পর্ব ও নাস্তা গ্রহণের পর দ্বিতীয় অধিবেশনে বেলা ১২ টায় সাহিত্য চর্চায় প্রমিত বানান ও বাক্যের শুদ্ধতা নিয়ে মূল আলোচনা করেন বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. তপন বাগচী, সভাপতিত্বে ছিলেন অধ্যাপক মাইন উদ্দিন পাঠান। এই অধিবেশনে সহযোগী ছিলেন প্রগতি লেখক সংঘ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রকাশনা ও গবেষণা সম্পাদক হাবিব ইমন।
একঘন্টা মধ্যাহ্ন বিরতিতে সকলে একই স্থানে মধ্যাহ্নভোজ গ্রহণ করেন। এরপর কাব্য, ছন্দ, বাংলা পদ্যে অন্ত্যমিল ও ছন্দের প্রয়োগ বিষয়ে আলোচনায় সঞ্চালনা করেন মো. আহসান উল্যাহ রিপন। সভা প্রধান ছিলেন ফেনী প্রগতি লেখক সংঘের আহ্বায়ক দাউদুল ইসলাম।
তৃতীয় অধিবেশনে বাংলা পদ্যে অন্তমিল ও ছন্দের প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন বাংলা একাডেমির পরিচালক ড. তপন বাগচী। সভা প্রধান ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও প্রাবন্ধিক আবু তাহের। সহযোগী ছিলেন প্রগতি লেখক সংঘ সদস্য ও লেখক ম. পানা উল্যাহ।
চতুর্থ অধিবেশনে লেখক, পাঠক, প্রকাশনা বিষয়ে আলোচনা করেন মনন প্রকাশনের প্রকাশক ড. শিব প্রসাদ সূর। সভা প্রধান ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মানিক মজুমদার।
বিকেল ৪ টায় মুক্ত অধিবেশনে আলোচনা সঞ্চলনা করেন কবি ও প্রাবন্ধিক শিরীন আক্তার। সভা প্রধান ছিলেন খলিলুর রহমান শুভ্র। সহযোগী ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক কামরুজ্জামান মোহন। সবশেষে বিকেল ৫ টায় চা পানের মাধ্যমে কর্মশালার সমাপ্তি ঘোষণা করেন কবি মাহফুজুর রহমান।

